Nid Card

NID WALLET কি। QR Scan এবং Face Scan করার সঠিক নিয়ম।

NID Wallet QR code 2025

NID WALLET সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তাইলে সম্পুর্ণ পোস্ট আপনার জন্য। কিভাবে এনআইডি ওয়ালেট ব্যাবহার করতে হয় সঠিক নিয়ম পোস্টে শেয়ার করা হবে। অবশ্যয় পুরো পোস্টটি পরে আপনার মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করবেন। চলুন দেখা যাক।

NID WALLET কি।

NID WALLET একটি QR স্ক্যানার মোবাইল অ্যাপ! বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। অনলাইনে প্রকৃত (NID) মালিক শনাক্ত করার জন্য এই অ্যাপ ব্যবহার করা হয়। এটি (QR code)এবং (Face Scan) ফিচার ব্যবহার করে ব্যক্তি শনাক্তের কাজ করে। এনআইডি ওয়ালেট ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড অনলাইন হতে ডাউনলোড করতে পারবে।

খুব সহজে এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন এবং বিনামূল্যে অ্যাপটি ব্যবহার করা যাবে। যদি আপনি নতুন ভোটার হয়ে থাকেন অথবা কোন কারনে অনলাইন হতে আত্মার ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড বা অন্যান্য তথ্য সংশোধন করার প্রয়োজন হয়! বং আপনার যদি পাসওয়ার্ড সেট করা না থাকে এক্ষেত্রে Nid Qr Code ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে পরবর্তী ধাপে আপনাকে এগিয়ে যেতে হবে।

এটি সাধারণত নতুন ভোটারদের জন্য বেশি ব্যবহার করা হয়। যারা নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন অনলাইন থেকে যদি তার কপি সংগ্রহ করতে চান এক্ষেত্রে এই অ্যাপ ব্যবহার করে কিউআর (QR) স্ক্যান করার মাধ্যমে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র টি ডাউনলোড করতে পারবেন।

আরো পড়ুন: টোকেন দিয়ে আইডি কার্ড

শুধুমাত্র প্রকৃত মালিক এটি ভেরিফিকেশন এর মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড অনলাইন থেকে কপি সংগ্রহ করতে পারবে। অন্যথায় এনআইডি ওয়ালেট ভেরিফিকেশন ছাড়া ভোটার আইডি কার্ড সংরক্ষণ করা যাবে না অনলাইন সার্ভার হতে।

NID WALLET ব্যাবহার করার নিয়ম।

নতুন ভোটার হওয়ার ২১-৩০ দিন এর ভিতরে আপনার তথ্য সার্ভারে আপলোড করা হয়। অনেকক্ষেত্রে আরো কিছু সময় বেশি লাগতে পারে। Qr Code For Nid Wallet ব্যাবহার করার জন্য আমাদের কয়েকটি ধাপ পরিপূর্ণ করতে হবে। ভোটার আইডি কার্ড উত্তোলন করার জন্য টোকেন দিয়ে আইডি কার্ড বের করার নিয়ম আমাদের সাইট প্রকাশ করা হয়েছে।

https://services.nidw.gov.bd/nid-pub সাইটে নতুন একাউন্ট রেজিষ্টেশন করুন টোকেন নাম্বার ও জন্ম তারিখ দিয়ে। এরপর মোবাইল নাম্বারটি দিন এখানে একটি OTP এসএমএস পাঠানো হবে। এই ধাপ শেষ করলে আপনার সামনে এনআইডি ওয়ালেট ধাপ শুরু হবে।

প্রথমে আমাদের কে QR স্ক্যান করতে হবে। এরপর অ্যাপ হতে face স্ক্যান করতে হবে। অবশ্যই যার এনআইডি (NID) তার ফেস স্ক্যান করতে হবে। অ্যাপটি ব্যাবহার করতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইটে কিউআর স্ক্যান কোড অ্যাপ হতে স্ক্যান করতে হবে। তাহলে এনআইডি সার্ভার এর সঙ্গে অ্যাপ সংযোগ হবে। ও ভেরিফিকেশন করা যাবে।

NID WALLET থেকে QR Scan করুন।

নাম্বার ভেরিফিকেশন এর পর আপনাকে NID WALLET ডাউনলোড করতে বলবে। এজন্য আপনি google Play Store থেকে NID WALLET App ডাউনলোড করবেন। এরপর ওয়েব পেজে যে QR স্ক্যান কোড রয়েছে সেটি স্ক্যান করার জন্য অ্যাপের মধ্যে প্রবেশ করে ক্যামেরা ও লোকেশন অ্যাকসেস চালু করে দিবেন এর পর স্ক্যানার চলে আসবে।

(দুটি ডিভাইস ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন সহজে করার জন্য) অথবা কম্পিউটার এর মাধ্যেমে ওয়েব সার্ভারে একাউন্ট করে মোবাইল দিয়ে স্ক্যান করবেন। এরপর করতে হবে এনআইডি ওয়ালেট ফেস ভেরিফিকেশন। এটি সঠিক ভাবে করার পর আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র টি দেখতে পারবেন।

NID WALLET থেকে Face Scanকরুন।

এরপর যার এনআইডি (nid) তাকে ফেস ভেরিফিকেশন করতে হবে। আবেদন করা ভোটার আইডির সঙ্গে ফেস ভেরিফিকেসনের ব্যাক্তির সম্পুর্ণ মিল থাকতে হবে। এছাড়া কিন্তু আপনি এটি সম্পুর্ণ করতে পারবেন না। এটি করা আবশ্যক।

এনআইডি ওয়ালেট ফেস স্ক্যান তিন ভাবে করতে হবে। (ডান >> মাঝ >> বাম) কয়েক সেকেন্ড করে উপেক্ষা করবেন প্রতিবার। ফোনের সামনের ক্যামেরা নাড়াচাড়া করতে হবে। এবং হয় গেলে প্রতিবার নিচে ফেস টিক চিহ্ন দেখতে পারবেন। ছবিটি লক্ষ্য করুন বুঝতে আরো সহজে হবে।

সঠিক ভাবে আপনার ফেস স্ক্যান হয়ে গেলে পরবর্তী আপনার ওয়েব পেজ লোড হবে। এবং সব কিছু ঠিক থাকলে আপনার ভোটার আইডি দেখা যাবে। এখানে আপনি দুটি অপশন পাবেন। এড়িয়ে যান , পাসওয়ার্ড সেট করুন। আপনি চাইলে এখানে দ্বিতীয়বার লগিন এর জন্য পাসওয়ার্ড সেট করতে পারবেন। এড়িয়ে যান অপশনে ক্লিক করে আপনার এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

NID WALLET অ্যাপ ব্যবহারে সতর্কতা।

শুধু মাত্র বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন দেখে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করবেন। এতে কোনো ফি বা শর্ত যুক্ত করা নেই। একদম বিনামূল্যে ব্যাবহার কারি এটি ব্যাবহার করে তার ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবে অনলাইন থেকে।

এনআইডি ওয়ালেট (NID WALLET) সাধারণ স্মার্ট ফোনের জন্য গুগল প্লে স্টোর গিয়ে সার্চ করবেন এবং প্রথমেই পেয়ে যাবেন। এবং ইনস্টল করার আগে দেখে নিবেন অ্যাপটি প্রকাশনের নাম।

এটি ব্যাতিত কোনো অ্যাপ বা সটওয়্যার ইনস্টল করবেন না। অথবা কোনো ওয়েব সাইট থেকে এই অ্যাপ ডাউনলোড করা যাবে না। এক্ষেত্রে আপনার ডিভাইসের সমস্যা ও বিভিন্ন তথ্য চুরি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তাই অ্যাপটি ইনস্টল করার পূর্বে সঠিক ভাবে দেখে ইনস্টল করবেন।

আরো পড়ুন: Services nidw gov bd

QR Scan এবং Face Scan হয়ে গেলে আপনি অ্যাপটি ডিলিট করে দিতে পারেন অথবা আপনার যদি আবারও প্রয়োজন হয় তাহলে রেখে দিতে পারেন। আশাকরি বুঝতে পেরেছেন এনআইডি ওয়ালেট কি এবং ব্যাবহার করার সঠিক নিয়ম।

আশাকরি সঠিক ভাবে বুঝতে পেরেছেন। যদি কোনো কিছু বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে কমেন্টে আপনার সমস্যাটি আমাদের কে জানাবেন। সবাই ভালো থাকবেন আমাদের সাথেই থাকবেন ধন্যবাদ।

NID Wallet QR Code সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

NID Wallet অ্যাপে ফেস ভেরিফিকেশন করতে গেলে প্রতি বার একটি নতুন QR Code প্রয়োজন হয়। এই QR Code প্রতিটি রেজিস্ট্রেশনের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হয়ে থাকে। তবে মনে রাখতে হবে, একবার যে QR Code তৈরি হয়, সেটি শুধু একবারের জন্যই ব্যবহার করা যায়।

আপনি যদি একাধিকবার লগইন বা রেজিস্ট্রেশন করতে চান, তাহলে প্রতিবার নতুন QR Code পাওয়া যাবে — তাই চিন্তার কিছু নেই। কম্পিউটার বা ল্যাপটপ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করলে সাধারণভাবে QR Code প্রদর্শিত হয়, যেটা অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করে ভেরিফিকেশন করতে হয়।

অন্যদিকে, যদি মোবাইল ডিভাইস দিয়ে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করা হয়, তখন QR Code না দেখিয়ে একটি কোড বা লিংক কপি করার অপশন আসে। ওই কপি করা কোডটি NID Wallet অ্যাপের উপরের দিকে থাকা “Code” বাটনে ক্লিক করে পেস্ট করতে হয়। এরপর সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেস ভেরিফিকেশনের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।

FAQs

প্রশ্ন ১: জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ের জন্য nid card qr code scanner কীভাবে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়?

উত্তর.  স্ক্যানার অ্যাপে QR কোড স্ক্যান করলে নাগরিকের প্রাথমিক তথ্য দেখায়।
  এটি দ্রুত পরিচয় যাচাইয়ে সহায়তা করে।
  ভুয়া বা জাল আইডি শনাক্ত করতেও এটি কার্যকর।

প্রশ্ন ২: একজন ব্যবহারকারী কীভাবে nid qr code scanner দিয়ে পরিচয়পত্রের তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া সহজ ও নির্ভুল করতে পারেন?

উত্তর. ব্যবহারকারী মোবাইল বা ট্যাব থেকে QR কোড স্ক্যান করেন।
  স্ক্যানের মাধ্যমে মূল তথ্য তাৎক্ষণিক ভেরিফাই হয়।
  এতে সময় বাঁচে এবং ভুলের সম্ভাবনা কমে।

প্রশ্ন ৩:qr code for nid wallet স্ক্যান করে একজন নাগরিক কী ধরনের তথ্য ও সেবা সহজে পেতে পারেন?

উত্তর. QR কোড স্ক্যান করে নাম, জন্মতারিখসহ NID তথ্য পাওয়া যায়।
  সরকারি ও ডিজিটাল সেবা গ্রহণে এটি সহায়ক।
  এটি ডিজিটাল পরিচয় ব্যবস্থাকে সহজ করে তোলে।

eservbd

আমি তাহমিদ ইসলাম, এটি আমার বাংলা ব্লগ। যেখানে আমি প্রতিনিয়ত আমার জানা বিষয়গুলি ব্লগ-পোস্ট আকারে প্রকাশ করি। এই সাইটে হতে আপনি ভোটার আইডি কার্ড, জন্ম নিবন্ধন, পাসপোর্ট ও অন্যান্য সরকারি সার্টিফিকেট সম্পর্কে জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।

Related Articles

Back to top button